স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, সেপ্টেম্বরে আসতে পারে তফসিল
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৬-০৯-২০২৬ ০২:৫০:২৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৬-০৯-২০২৬ ০২:৫০:২৬ অপরাহ্ন
স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা ও ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছর তিন হাজার ৯৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ বা নির্বাচন উপযোগী হবে। আর বাকিগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছে নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতিও প্রায় শেষ। ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র, আচরণবিধিমালা, নির্বাচনী মালামাল সংগ্রহসহ যাবতীয় কাজ গুছিয়ে এনেছে ইসি।
সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা ইসির। তবে মামলা ও সীমানা নির্ধারণ-সংক্রান্ত জটিলতা থাকা ইউনিয়নগুলোতে নির্বাচন হবে পরে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সার্বিকভাবে প্রস্তুত। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত তাদের বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষাকে বিঘ্নিত না করে আগে-পরে দু’ভাবেই হতে পারে। যদি সম্ভব হয়, তাহলে পরীক্ষার আগেও হতে পারে। এ মাসের প্রথমার্ধে আমরা আশা রাখি যে, সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারব কোন ধাপে, কখন নির্বাচন হবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পদে থেকে নির্বাচন করার ব্যাপারে অনড় কমিশন।
তিনি আরও বলেন, সবাই তো ভালো নির্বাচন চায়। নির্বাচন কমিশনও ভালো নির্বাচন চায়। সেই অর্থে যদি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বসা যায়, তাহলে ভালো রেজাল্ট আসবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকেই আমরা চিন্তা করেছি যে, হয়তো মতবিনিময়—একটা আমাদের করার সম্ভাবনা আছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কিন্তু সিংহভাগ নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাদেরকে যদি নিরপেক্ষ রাখা যায়, তাহলে অনেকাংশে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সহজ হয়ে যায়।
ইসি জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।
নিউজটি আপডেট করেছেন : News Upload
কমেন্ট বক্স