"
নওগাঁ থেকে (স্টাফ রিপোর্টার) মোঃ আকতার হোসেন।
গতকাল জনৈক মোঃ মেহেদী হাসান (২৩), পিতা- মোঃ আতোয়ার রহমান, সাং- হাতিমনডোলা, থানা-
মহাদেবপুর, জেলা- নওগাঁ তার মামার সাথে দেখা করার জন্য নওগাঁ সদর থানার দুবলহাটি মোড়ে আসে। মামার সাথে দেখা করে কাজ শেষ হওয়ার পর তার মামা সাগর রাত্রী সাড়ে ৯ টায় দুবলহাটি মোড় থেকে হাপানিয়া যাওয়ার জন্য একটি চার্জার রিক্সা ভাড়া করে দেয়। রিক্সাটি সদর থানার দুবলহাটি রেন্ট্রিতলা মোড়ে পৌছলে একজন লোক রিক্সায় উঠার জন্য রিক্সাটি দাঁড় করায়।
মেহেদী উক্ত লোকটিকে রিক্সায় উঠতে নিষেধ করলে লোকটি রিক্সা ড্রাইভার এর বন্ধু বলে জানায় এবং বলে যে একটু সামনে গিয়েই নেমে যাবে। উক্ত লোকটিকে রিক্সার ড্রাইভার রিক্সায় উঠিয়ে সোজা রাস্তা রেখে ঘুরে অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে থাকে। কিছুদুর গিয়ে রিক্সার ড্রাইভার রিক্সা থামিয়ে তার বন্ধু পরিচয় দেয়া ব্যক্তির সাথে শলাপরামর্শ করে।
বিষয়টি মেহেদী হাসানের সন্দেহ হলে সে প্রশ্রাব করার কথা বলে রাত্রী অনুমান ১০:৪৫ সময় হাঁপানিয়া ইউনিয়নের শতপুর পুটিমারী পাকা রাস্তার উপর রিক্সা থেকে নামলে আসামী মোঃ সুলতান শাহরিয়ার ওরফে দেওয়ান সিফাত (২০), পিতা- দেওয়ান মাহবুব আলম, সাং- দেওয়ান পাড়া কুশাডাঙ্গা ও মোঃ আঃ ওয়াহেদ (২৪), পিতা-মোঃ হামিদ মোল্লা, সাং- কুশাডাঙ্গা পশ্চিম পাড়া, উভয় থানা ও জেলা- নওগাঁ সদর মেহেদী হাসানকে ধরে ফেলে। ০১ নং আসামী রিক্সা ড্রাইভার তার রিক্সার সিটের নীচ হতে ধারালো চাকু বাহির করিয়া খুন জখমের ভয় দেখিয়ে ওয়ালেটে থাকা ৫ হাজার টাকা এবং একটি সিম্ফনি বাটন মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
তখন মেহেদী হাসানের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ছিনতাইকারীদের ঘেরাও করে পুলিশে সংবাদ দেয়।সংবাদ পেয়ে সদর থানার পুলিশ রাত সাড়ে ১১ টায় ঘটনাস্থলে পৌছে আসামীদ্বয় কে গ্রেফতার করে। আসামীদ্বয় এর হেফাজত থেকে ছিনতাই হওয়া সমুদয় টাকা ও মোবাইল ফোন এবং ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত ধারালো চাকু ও রিক্সা উদ্ধার করে জব্দ করে।
এই বিষয়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।