এই এমপির আমার নাম কাটার ক্ষমতা নাই, উনাকে সরাসরি পেলে একটা সালাম দিমু’—এমন মন্তব্যের কারণে সার্ভেয়ার মোহাম্মদ বাকিরুল ইসলাম বাহাদুরকে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। ওই সার্ভেয়ার কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় কর্মরত।
সোমবার রাতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. সারোয়ার জাহান তাকে এ নোটিস দেন।
মঙ্গলবার আমার দেশ অনলাইনে ‘এই এমপির আমার নাম কাটার ক্ষমতা নাই’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সার্ভেয়ার বাকিরুল ইসলামকে নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে জেলা প্রশাসন।
নোটিসে বলা হয়েছে, ১২ অক্টোবর দৈনিক আমার দেশ অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদে সারের ডিলারশিপ নিয়ে সার্ভেয়ার বাকিরুল ইসলামের এমন মন্তব্যের বিষয়টি উঠে এসেছে। একজন সংসদ সদস্যকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য জেলা প্রশাসনের জন্য বিব্রতকর এবং সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর পরিপন্থি।
নোটিসে আরো বলা হয়, এ ধরনের আচরণের জন্য তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা পত্র পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় সম্প্রতি ৯ জনকে সারের ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজাপুর ইউনিয়নে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সার্ভেয়ার বাকিরুল ইসলাম বাহাদুরের ভাই সাদেকুর রহমানের নামে ‘মেসার্স কেমি এন্টারপ্রাইজ’কে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে।