ঢাকার ধামরাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে ধামরাই হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের বাবা শফিকুল ইসলাম, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ধামরাই হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন সেনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আফিকুল ইসলাম সাদ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার এই আত্মত্যাগ গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তার আত্মত্যাগকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মিত হলে এটি শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস স্মরণে রাখার একটি স্মারক হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, বীর শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের মতো অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন আমরা তাঁদের স্মরণ করে যাব।
সাভারে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। ছবি: আমার দেশ
ঢাকার ধামরাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে ধামরাই হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন।
বিজ্ঞাপন
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের বাবা শফিকুল ইসলাম, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামছুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ধামরাই হার্ডিঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন সেনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আফিকুল ইসলাম সাদ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার এই আত্মত্যাগ গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তার আত্মত্যাগকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মিত হলে এটি শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস স্মরণে রাখার একটি স্মারক হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন বলেন, বীর শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের মতো অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন আমরা তাঁদের স্মরণ করে যাব। মানচিত্রদেখুন
তিনি আরও বলেন, ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের ইতিহাস কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। যাঁরা দেশের পরিবর্তনের জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের স্মৃতি ধরে রাখতে নির্মিতব্য স্মৃতিস্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণকাজ শেষ করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা শহীদ আফিকুল ইসলাম সাদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।