স্টাফ রিপোর্টার,হবিগঞ্জ। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের
সহকারী কমিশনার( ভূমি ) মেহরাব হোসেন প্রায় ৭ মাস পূর্বে বানিয়াচংয়ে যোগদান করেন। এসিল্যান্ডের পদ শূণ্য থাকায় দীর্ঘদিন ইউএনও দায়িত্ব থাকলে ও অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। তিনি যোগদান করার পর অফিসের সেবায় পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে। ৭ মাসের মাথায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহরাব হোসাইনের বদলিতে হতাশ সাধারণ মানুষ।
বানিয়াচং উপজেলা ভূমি অফিসে দায়িত্ব পালনকালে পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব প্রশাসনিক সেবার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছেন ভূমি কর্মকর্তা মেহরাব হোসাইন।বানিয়াচং উপজেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভূমি অফিস সহ বানিয়াচং উপজেলা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, সেবার মান উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেন।
বৃহৎ জনগোষ্ঠীর এই উপজেলার মানুষের আচার-আচরণ, সামাজিক বাস্তবতা ও স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করেন তিনি।স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর আন্তরিক আচরণ, সহজে কথা বলার সুযোগ এবং প্রশাসনিক সেবা প্রদানে মনোযোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি অনেকের কাছে একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।তবে মাত্র ৭ মাস দায়িত্ব পালনের পর হঠাৎ তাঁর বদলির খবরে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
এ নিয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড়। সবার একই কথা জনস্বার্থে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বদলীর আদেশ বাতিল করা হোক। অনেকের প্রত্যাশা ছিল, তিনি আরও কিছুদিন বানিয়াচং উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবেন এবং ভূমি সেবার ক্ষেত্রে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হতেন।সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বানিয়াচংয়ের মতো বৃহৎ জনগোষ্ঠীর উপজেলায়
ভূমি প্রশাসনের সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মেহরাব হোসাইনের মতো জনবান্ধব ও সেবামুখী কর্মকর্তাকে আরও কিছুদিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হোক।সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা একটাই—প্রশাসনিক সেবা যেন সহজ, স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব হয়।
সাধারণ বেশে চলাফেরা করা সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তার বদলী বাতিল করতে ফেসবুকে আকুল আবেদন জানিয়েছেন স্হানীয়রা। উপজেলা নাগরিক কমিটি বদলী বাতিলের দাবীতে জেলা প্রশাসক হবিগঞ্জকে স্মারক লিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবং স্মারক লিপির কপি মাননীয় সংসদ সদস্য গরীবের ডাক্তার সাখাওয়াত হাসান জীবন ও বিভাগীয় কমিশনার সিলেটকে দেওয়ার হবে বলে জানা গেছে।